বইয়ের পাতায় পাতায় কত ইতিহাস জমা হল। ১৯৩৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল সতু সেন পরিচালিত ‘চোখের বালি’ সিনেমাটি। ২০০৩ সালে এই রবীন্দ্র উপন্যাসকেই নতুনভাবে ফিরে দেখলেন তরুণ পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ। সময়ের ব্যবধানে দেখার চোখ গেল বদলে। উঠে এল নতুন কালের ভাষ্য। আগেও বহুবার এমনটা ঘটেছে। রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ সত্যজিতের চোখে চারু নামের একটি মেয়ের গুমোট মনের কথা হয়ে ফিরে এসেছে। ‘ঘরে বাইরে’-র চুম্বন দৃশ্য নিয়ে উঠেছে ঘোর বিতর্ক। সত্যজিৎ তার বিশ্বকবিকে ধরে রেখেছেন ‘রবীন্দ্রনাথ’ তথ্যচিত্রে। ঋতুপর্ণও আগামীর চোখ দিয়ে আবহমানের এক কবিকে খুঁজেছেন ‘জীবনস্মৃতি’র বায়োপিকে। বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত রবীন্দ্রনাথের তেরোটি কবিতা অবলম্বনে তৈরি করলেন ‘ত্রয়োদশী’ সিনেমা কোলাজটি। বীরেশ্বর বসুর ‘বিসর্জন’-এ এসে ছায়া ফেলল সত্তর দশকের অশান্ত সময়। হিন্দিতে কুমার সাহানি ‘চার অধ্যায়’ করতে গিয়ে ব্যবহার করলেন জীবনানন্দের কবিতা। রবীন্দ্রোত্তর এসে দাঁড়াল রবীন্দ্রনাথের মাঝখানে। ঋণস্বীকার না করা হলেও
‘টেখক’
তারই দিকে নানাভাবে তাকানো। তাকেই উলটে পালটে নেওয়া। সেইসব চলমান জীবনের দিকে তাকালে অনেক সময় যেন একটি জীবনকে মনে হয় বড়ো চেনা। আরে
রাগ-অনুরাগ নানা ভঙ্গিমায় এসেছে তাঁর কবিতায়। রাজীবের রোম্যান্টিক ভাবনার কবিতাগুলির নিচেও কখনো কখনো বহমান সূক্ষ্ম দ্ৰোহময় চেতনা সংকেত। যে সংকেত কবিতার প্রাণবায়ু। শব্দ নির্বাচনে নাগরিক ভাষা ও নাগরিক সভ্যতার প্রতিই রয়েছে তাঁর দুর্বার টান। তবু প্রকৃতি উপেক্ষিত থাকে কবিতায়। কখনো-কখনো তীব্র স্যাটায়ারের ব্যবহার তাঁর কবিতাকে আরও সপ্রতিভ করে তোলে। রাজীব সিংহের ‘কেরিয়ারগ্রাফ’ কাব্যগ্রন্থটি কবিতাপ্রেমী পাঠকদের কাছে অবশ্যই সংগ্রহযোগ্য একটি বিশেষ বই হিসাবেই সমাদৃত হবে
তাঁর অঙ্গাভা
আপনজনেরা রজতকান্তি রায়চৌধুরী বইয়ের পাতায় পাতায় কত ইতিহাসAPANJANERA : '' , , , , , , ; , , , , , : 21(h) 15(w) 2(d)